জামালগনঞ্জের জিয়াউল হক খুনের ডকুমেন্টারি jiyaul hoq khoner document
জামালগনঞ্জের জিয়াউল হক খুনের ডকুমেন্টারি :
৭/০২/২০২২ ইং সকাল 10 টার সময় সন্ত্রাসী মান্নান এর ছেলেদের ও তার আত্বীয়দের আক্রমণে জিয়াউল হক খুন ।।
সম্পূর্ণ ঘটনাটা বলছি মন দিয়ে শুনুন ।
# সোনারপুর গ্রামের বাসিন্দা ইমামুল হোসাইন উনার পিতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমির পাশে একটি জমি কিনেন 2019 সালের দিকে । একই গ্রামের বাসিন্দা মনদান আলীর ছেলেরা এটা জানতে পেরে তারা প্রায় একমাস পর ইমামুল হোসেনের কিনা জমিকে নিয়ে ডুপ্লিকেট দলিল তৈরি করে ।
# এবং ইমামুল হোসেন এর কিনা জমি তারা শক্তির বলে দখল করে । গ্রামের শালিশ এবং থানাতে এই বিষয়ে অভিযোগ করলেও কোনো ফলাফল পাইনি ইমামুল হোসে ন । এর জন্যে তিনি জেলা দায়রা জজ কোর্ট সুনামগঞ্জে এই নিয়ে একটি মামলা দায়ের করে ইমামুল হোসেন । দীর্ঘ প্রায় তিন বৎসর পর 2022 সালের জানুয়ারী মাসে জেলা দায়রা জজ কোর্ট সুনামগঞ্জ থেকে ইমামুল হোসেন এর দলিল ও অনন্য সকল কিছু অরজিনাল হওয়াতে কোর্টের রায় পায় ইমামুল হোসেন । এবং সেই কোর্টের রায় পত্র জামালগনঞ্জ থানার ওসি (মীর মোহাম্মদ নাসের ) এর কাছে এক কপি জমা দেওয়ার পর তিনি সেই রায় পত্র টি সচক্ষে দেখে এবং উভয় দলকেই তথা (ইমামুল হোসেন এবং মনদান মিয়ার ছেলেদের থানাতে ডেকে নিয়ে সবকিছু দেখে তিনি কোর্টের রায় অনুযায়ী ইমামুল হোসেন কে উনার কিনা জমিতে দখল এবং ধান রোপন ও তার পাশের ছোট্ট ডোবা আছে সেখানে সেটা সেচে মাছ ধরার ও আদেশ দেন তিনি ।
# এই আদেশে দুই পক্ষই থানাতে ওসির কথাতে সম্মত হয় । শর্ত হল সার্ভেয়ার নিয়ে জমি মেপে বাহির করতে হবে ।
অতঃপর জামালগনঞ্জ থানার ওসি মীর মোহাম্মদ নাসের ৪ জানুয়ারি রোজ শুক্রবার সার্ভেয়ার নিয়ে ইমামুল হোসেন এর কিনা জমি মাপতে আদেশ করেন । এবং সার্ভেয়ার থাকবে দুই দলের দুইজন ।
এরপর সেই তারিখে ইমামুল হোসেন সার্ভেয়ার নিয়ে জমি মাপতে গেলেও মান্নান মিয়ার ছেলেরা যায়নি জমিতে ।এই কথা থানাতে ও জানানো হয় । থানা থেকে পরবর্তী তারিখ দিলেও যায়নি তারা সার্ভেয়ার নিয়ে ।
অতঃপর ৪ -৭ তারিখ তারা না গেলে জমিতে ইমামুল হোসেন জমিতে যান এবং ডোবা মধ্যে মেশিন লাগান সেটা সেচতে । এরপর ৭ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯'টা -10 টার সময়ে মান্নান মিয়ার ততছেলেরা তাদের আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে কৌর্ট এবং থানার রায় অমান্য করে ইমামুল হোসেন কে বাধা দান করেন ।